
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর ঐতিহ্য, পেশাগত মর্যাদা ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থ সংরক্ষণ এবং প্রধান প্রকৌশলী পদে জ্যেষ্ঠতা, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও সততার ভিত্তিতে বিধিসম্মত নিয়োগ নিশ্চিতকরণ প্রসঙ্গে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
সশ্রদ্ধ সালাম ও শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন।
বাংলাদেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকার সড়ক, সেতু, কালভার্ট, হাট-বাজার, গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থা এবং অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের একটি বড় অংশ এলজিইডির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি শুধু একটি সরকারি দপ্তর নয়; এটি সরকারের উন্নয়ন অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অন্যতম প্রধান কারিগরি প্রতিষ্ঠান।
জনপ্রতিনিধিরা তাঁদের নির্বাচনী এলাকার জনগণের কাছে উন্নয়নের যে প্রতিশ্রুতি দেন, তার বাস্তবায়নের একটি বড় অংশ নির্ভর করে এলজিইডির প্রকৌশলী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা, সততা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ওপর।
অতএব, এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব নির্ধারণে কোনো ধরনের ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক, আর্থিক বা গোষ্ঠীগত প্রভাব যেন প্রাধান্য না পায়—এটি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের বৃহত্তর স্বার্থে অত্যন্ত জরুরি।
১. প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে যোগ্যতা ও সততাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজনমাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান শুধু প্রশাসনিক প্রধান নন; তিনি প্রতিষ্ঠানের নৈতিকতা, পেশাগত সংস্কৃতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিবেশের অন্যতম প্রধান নির্ধারক।
বিশেষ করে এলজিইডির মতো বিপুল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে হতে হবে—
সৎ ও নীতিবান;
দক্ষ ও অভিজ্ঞ;
প্রশাসনিকভাবে সক্ষম;
সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বাধীন;
পেশাগতভাবে গ্রহণযোগ্য;
দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর;
এবং সর্বোপরি রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থের প্রতি দায়বদ্ধ।
কোনো ব্যক্তি যদি কোনো বিশেষ মহল, ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা আর্থিক স্বার্থের কাছে দায়বদ্ধ হয়ে প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে অধিষ্ঠিত হন, তাহলে তাঁর পক্ষে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
আমরা মনে করি, এলজিইডির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে ব্যক্তিগত আনুগত্যের পরিবর্তে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের পরিবর্তে জনস্বার্থই সর্বোচ্চ বিবেচ্য হওয়া উচিত।
২. জ্যেষ্ঠতা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন
এলজিইডির প্রকৌশলীরা দীর্ঘ কর্মজীবনে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে কাজ করা, প্রকল্প বাস্তবায়ন, অবকাঠামো নির্মাণ, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং জনগণের সঙ্গে সরাসরি কাজ করার মধ্য দিয়ে তাঁরা নিজেদের পেশাগত দক্ষতা ও নেতৃত্বের যোগ্যতা তৈরি করেন।
তাঁদের দীর্ঘ কর্মজীবনের পর যদি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে দায়িত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতা যথাযথভাবে মূল্যায়িত না হয়, তাহলে তা কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা ও অনাস্থা সৃষ্টি করতে পারে।
এতে শুধু একজন কর্মকর্তা বঞ্চিত হন না; দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিবেশ।
অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি—প্রধান প্রকৌশলী পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধি-বিধান, জ্যেষ্ঠতার তালিকা, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, সততা ও কর্মদক্ষতাকে যথাযথভাবে বিবেচনা করা হোক।
৩. অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পুনঃচুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
সম্প্রতি এলজিইডির অভ্যন্তরে আলোচনা ও বিভিন্ন মহলে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে যে, বর্তমান প্রধান প্রকৌশলীর অবসর গ্রহণের পর একজন অবসরপ্রাপ্ত সাবেক প্রধান প্রকৌশলীকে পুনরায় চুক্তিভিত্তিকভাবে প্রতিষ্ঠানের প্রধান পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য একটি প্রভাবশালী মহল তৎপর রয়েছে।
আমরা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত অভিযোগ উত্থাপন করছি না এবং কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে নিয়োগ না দেওয়ার জন্যও সুপারিশ করছি না।
তবে যদি এমন কোনো উদ্যোগ বাস্তবে থেকে থাকে, তাহলে আমরা মনে করি বিষয়টি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন।
কারণ, এলজিইডির অভ্যন্তরে বর্তমানে কর্মরত যোগ্য ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের মধ্যে থেকে বিধিসম্মতভাবে নেতৃত্ব নির্বাচনের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অবসরপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে পুনরায় চুক্তিভিত্তিকভাবে শীর্ষ পদে নিয়োগ দেওয়া হলে তার প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক প্রভাব বিবেচনা করা জরুরি।
৪. নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের আর্থিক বা প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের হস্তক্ষেপ কাম্য নয়
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
বিভিন্ন সূত্রে এলজিইডির ভেতরে এমন আলোচনা রয়েছে যে, প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে নিয়োগকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাবশালী মহল সক্রিয় হয়েছে।
এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা আমরা নিজেরা নিশ্চিত করছি না। তবে রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান পদ নিয়ে যদি কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন, প্রভাব বিস্তার, লবিং বা সিন্ডিকেটের তৎপরতার অভিযোগ ওঠে, তাহলে তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
কারণ, কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদ অর্থ, প্রভাব বা ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়ার ধারণা তৈরি হলেও প্রতিষ্ঠানের প্রতি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস—
কোনো সরকারি পদ বিক্রয়যোগ্য নয়; কোনো পদ ব্যক্তিগত বিনিয়োগের ক্ষেত্রও হতে পারে না।
সরকারি পদ জনগণের সেবা করার দায়িত্ব, ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জনের মাধ্যম নয়।
৫. মেধাবী প্রকৌশলীদের নেতৃত্বের সুযোগ দিতে হবে
এলজিইডির অভ্যন্তরে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বহু দক্ষ প্রকৌশলী রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে।
তাঁদের সামনে যদি একটি স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক ক্যারিয়ার পথ উন্মুক্ত থাকে, তাহলে তাঁরা আরও বেশি উৎসাহ ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।
একজন প্রকৌশলী যদি বিশ্বাস করেন যে তাঁর সততা, মেধা, কর্মদক্ষতা ও অভিজ্ঞতার যথাযথ মূল্যায়ন হলে একদিন তিনি প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাবেন, তাহলে সেটি প্রতিষ্ঠানের জন্যও ইতিবাচক।
অন্যদিকে, যদি নেতৃত্বের সুযোগ একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়, তাহলে মেধাবী ও যোগ্য কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।
৬. এলজিইডির ঐতিহ্য ও পেশাগত সংস্কৃতি রক্ষা করা জরুরি
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
এলজিইডি বহু বছর ধরে দেশের গ্রামীণ উন্নয়নের অন্যতম প্রধান কারিগরি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে আসছে।
এই প্রতিষ্ঠানের রয়েছে নিজস্ব পেশাগত ঐতিহ্য, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষ মানবসম্পদ।
প্রয়াত প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিক-এর মতো দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের অবদান এলজিইডির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
আমরা বিশ্বাস করি, সেই পেশাগত ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করতে হলে প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে মেধা, সততা, অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।
৭. অতীতের বিতর্ক থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
অতীতে এলজিইডিতে একজন অবসরপ্রাপ্ত সাবেক প্রধান প্রকৌশলীকে চুক্তিভিত্তিকভাবে পুনঃনিয়োগের উদ্যোগ নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছিল।
গণমাধ্যম ও সচেতন মহলের আলোচনার পর বিষয়টি সরকারের নজরে আসে এবং পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হয়।
এই অভিজ্ঞতা আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা রেখে গেছে—
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগেই সম্ভাব্য জনস্বার্থ, প্রাতিষ্ঠানিক গ্রহণযোগ্যতা ও পেশাগত প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করা প্রয়োজন।
একই ধরনের পরিস্থিতি যেন পুনরায় সৃষ্টি না হয়, সেজন্য আগাম সতর্কতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
আমাদের সুনির্দিষ্ট আবেদন
উপরোক্ত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিনীতভাবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করছি—
১। এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন, বিধি-বিধান ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া কঠোরভাবে অনুসরণ করা হোক।
২। জ্যেষ্ঠতা, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, কর্মদক্ষতা, সততা ও পেশাগত গ্রহণযোগ্যতাকে নিয়োগের প্রধান মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হোক।
৩। কোনো ধরনের রাজনৈতিক, ব্যক্তিগত, আর্থিক বা গোষ্ঠীগত প্রভাব যেন নিয়োগ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে না পারে—তা নিশ্চিত করা হোক।
৪। অবসরপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে চুক্তিভিত্তিকভাবে পুনঃনিয়োগের ক্ষেত্রে জনস্বার্থ, প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থ এবং কর্মরত কর্মকর্তাদের ন্যায্য ক্যারিয়ার প্রত্যাশার বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করা হোক।
৫। প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগের আগে জ্যেষ্ঠতা ও যোগ্যতার একটি স্বচ্ছ মূল্যায়ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হোক।
৬। নিয়োগকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন, তদবির, প্রভাব বিস্তার বা সিন্ডিকেটের কার্যক্রমের অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হোক।
৭। এলজিইডির অভ্যন্তরে মেধাবী ও সৎ প্রকৌশলীদের নেতৃত্বে আসার জন্য একটি স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক ক্যারিয়ার কাঠামো নিশ্চিত করা হোক।
৮। প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, পেশাগত মর্যাদা ও জনগণের আস্থা অক্ষুণ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
উপসংহার
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আমরা কোনো ব্যক্তি বিশেষের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে চাই না। আমরা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে প্রধান প্রকৌশলী করার জন্যও সুপারিশ করছি না।
আমাদের একমাত্র দাবি—
এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী পদ যেন কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী, রাজনৈতিক প্রভাব বা আর্থিক শক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত না হয়।
আমরা চাই, একজন প্রকৌশলী তাঁর মেধা, সততা, অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে এগিয়ে আসার সুযোগ পান।
আমরা চাই, প্রতিষ্ঠানের ভেতরে এই বিশ্বাস প্রতিষ্ঠিত হোক যে—
যোগ্যতা থাকলে মূল্যায়ন হবে,
সততা থাকলে সম্মান পাওয়া যাবে,
দক্ষতা থাকলে নেতৃত্বের সুযোগ মিলবে।
এটাই একটি শক্তিশালী ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি।
এলজিইডির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা মানে শুধু একটি দপ্তরের দুর্বলতা নয়; এর প্রভাব পড়ে দেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সরকারের উন্নয়ন অঙ্গীকার এবং সর্বোপরি সাধারণ মানুষের ওপর।
তাই দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এলজিইডির নেতৃত্ব নির্বাচন ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে আইন, বিধি, জ্যেষ্ঠতা, যোগ্যতা, সততা ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
আমরা বিশ্বাস করি, আপনার প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা ও ন্যায়সংগত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এলজিইডির ঐতিহ্য, সুনাম ও পেশাগত মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকবে এবং প্রতিষ্ঠানটি আরও শক্তিশালীভাবে দেশের মানুষের সেবা করে যাবে।
এলজিইডির সাধারণ প্রকৌশলীবৃন্দ
প্রতিনিধির নাম 






