কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের লাখ লাখ নথি প্রকাশের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ড।

শুক্রবার মার্কিন জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের প্রকাশ করা নথিতে দেখা গেছে, তুরস্কের ইস্তাম্বুলে খাশোগি খুনের পরবর্তী দিনগুলোতে একাধিক বার্তা আদান-প্রদান করেন এপস্টেইন।

২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে খাশোগিকে হত্যা করা হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সব তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান হত্যার অনুমোদন দিয়েছিলেন।

হত্যাকাণ্ড ঘিরে পরে গভীর আন্তর্জাতিক সংকট তৈরি হয়। তবে বর্তমান ও তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সৌদি যুবরাজের সখ্যতা থাকায় শেষ পর্যন্ত খুব একটা চাপে পড়তে হয়নি সালমানকে।